সোমবার যশোরের একটি আদালতে মেসার্স নিউ মোল্যা এন্টারপ্রাইজের মালিক সদর উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের মঞ্জুর হোসেন লাবু এ মামলা করেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম অভিযোগ গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম।
আসামিরা হলেন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক যশোর শাখার এভিপি ম্যানেজার আবু বক্কার সিদ্দিক, এফভিপি এসএমএ সোহান ও এফভিপি সফিউদ্দিন।
.png)
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২১ মার্চ মঞ্জুর হোসেন লাবু ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক যশোর শাখা থেকে ৯০ লাখ টাকা ঋণ নেন। এ সময় তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে স্বাক্ষরিত ২টি চেক দেন। পরর্বীতে তিনি ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ওই দুইটি চেক দিয়ে চেক ডিজঅনারের মামলা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ মামলার রায়ে আদালত তাকে একবছর করে দুই বছর কারাদণ্ড দেয়। মঞ্জুর হোসেন লাবু কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় আসামিরা তাকে কারাগার থেকে জামিন করে দেয়ার প্রলোভন দেখায় তার স্ত্রীকে। এরপর প্রয়োজনীয় নয় কাগজপত্র স্বাক্ষর করতে হবে বলে লাবুর স্ত্রীকে দিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করান আসামিরা।
আসামিরা কারাগারে লাবুর সঙ্গে দেখা করে ৪০টি চেকে স্বাক্ষর করে নেন। এরপর আসামিরা লাবুকে কারাগার থেকে বের করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। লাবু দীর্ঘ কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে আসামিদের কাছে চেকগুলো ফেরত চাইলে না দিয়ে ঘোরাতে থাকেন। ২০২১ সালের ৩০ মে লাবু চেকগুলো ফেরত দেয়ার জন্য উকিল নোটিশ পাঠান। তারপর লাবু সাক্ষীদের নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে তারিখবিহীন স্বাক্ষরিত চেকগুলো ফেরত চাইলে দিতে অস্বীকার করেন আসামিরা। অবশেষে চেকগুলো ফেরত নিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে প্রতারণার অভিযোগে এ মামলা করেছেন।