বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর আদালতের পিপি মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাবুল আক্তারের করা মামলায় তার জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন আদালত।
এর আগে, ৩০ ডিসেম্বর আদালতে এ মামলায় বাবুল আক্তারকে গ্রেফতারের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক। পরে ৯ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেয় আদালত।
.png)
এছাড়া ১৪ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তনের আবেদন করেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী। শুনানির দিন এক দফা পিছিয়ে ১৯ জানুয়ারি সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন তার স্বামী তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।
এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। গত বছরের ১০ মে মামলার বাদি হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। এরপরই তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরে ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেসামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম কালু, সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাক্কু ও শাহজাহান মিয়া।