শুক্রবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পাভেল এবং সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে গিয়ে ভায়াচেস্লাভের মৃত্যু হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুকিন পাভেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘টেস্ট রোসেম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আবাসিক এলাকা গ্রিনসিটির একটি কক্ষে থাকতেন। শুক্রবার রাত তিনটার দিকে নিজ কক্ষে তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন দুই সহকর্মী। পরে গ্রিনসিটি ও রূপপুর প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
.png)
এদিকে, রাত দুইটার দিকে ভায়াচেস্লাভ গ্রিনসিটি আবাসিকের ১২ নম্বর ভবনের চৌদ্দতলায় ওঠে। পরে নিচে নামার সময় পা ফসকে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। খবর পেয়ে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ভায়াচেস্লাভকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ানদের মালিকানাধীন সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসএমইউ-১ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানে ইন্সটলার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
চিকিৎসকের বরাতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস বলেন, ধারণা করা হচ্ছে- পাভেল হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ভায়াচেস্লাভ সিঁড়ি থেকে পড়ে মারা গেছেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, দুইজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতা্লে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে দুইদিনের ব্যবধানে দুই রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়। গত শুক্রবার রাতে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বারচেনকো আলেক্সেই এবং বুধবার প্রকল্পের গ্রিনসিটি আবাসিক ভবনের শয়নকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যান শাকিরভ আলেক্সেই।