সোমবার সকালে তাকে বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়। গ্রেফতারকৃত হারুন জীরতলী ইউপির বারইচাতল গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে বাংলা বাজারের মঞ্জুর হোন্ডা গ্যারেজে অভিযান চালায় র্যাব-১১ এর একটি দল। অভিযানে ঐ স্থান থেকে হারুন বাহিনীর প্রধান হারুনকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছে অস্ত্র আছে বলেও স্বীকার করেন। রাতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জীরতলী ইউপির বারইচাতল গ্রামের ছমদ আলী ব্যাপারী বাড়ির আবদুল মন্নানের রান্না ঘর থেকে বন্দুক, চাপাতি ও ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
.png)
এ বিষয়ে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শামীম হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত হারুনের বিরুদ্ধে ৪টি অস্ত্র, ২টি হত্যা, ৪ টি চুরি, ১ টি মাদক, ১টি ছিনতাই, ১টি নারী নির্যাতন, ১টি পুলিশ অ্যাসল্ট, ২টি মারামারির মামলা’সহ সর্বমোট ১৬টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শামীম হোসেন আরো জানান, হারুন নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকার স্থানীয়দের উদ্ধারকৃত অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত। এ ছাড়া তিনি একাধিক হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অস্ত্রবাজি, মাদক বিক্রয়, ধর্ষণ, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় করতা। তার এসব কাজে কেউ বাঁধা দিলে ভয় দেখিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন।