মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দরিপদ্মবিলা নিজ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নাজিম একই গ্রামের হাসান কাজীর ছেলে। তিনি উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের একটি মসজিদে ইমামতি করতেন।
মামলার বরাত দিয়ে কাশিয়ানীর থানার এসআই দেওয়ান সাদেকুল ইসলাম জানান, ২০১০ সালে উপজেলার গোয়ালগ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে মাহমুদা খানমকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন মো. তৈয়াবুর রহমান নাজিম। কয়েক বছর সংসার করার পর মনোমালিন্যের কারণে স্ত্রী মাহমুদাকে তালাক দেন তিনি।
.png)
এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করে চার বছর সংসার করার পর তাকেও তালাক দেন নাজিম। পুনরায় প্রথম স্ত্রী মাহমুদাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকে নাজিম যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় তার স্ত্রী মাহমুদাকে নির্যাতন করেন। একপর্যায় বাবার বাড়ি থেকে ৮০ হাজার টাকা এনে নাজিমকে যৌতুক দেন মাহমুদা। এরপর আবারো যৌতুক দাবি করেন নাজিম। কিন্তু যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাহমুদাকে বেধড়ক মারধর করেন স্বামী।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার কাশিয়ানী থানায় যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা করেন মাহমুদা। এ মামলায় নাজিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ রায়হান জানান, তৈয়াবুর রহমান নাজিমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।