ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চলন্ত বাসে রোহিঙ্গা তরুণীকে ধর্ষণ, হেলপার আটক 

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২:৪৭, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
চলন্ত বাসে রোহিঙ্গা তরুণীকে ধর্ষণ, হেলপার আটক 
চকরিয়া থানা ফাইল ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চলন্ত বাসে এক রোহিঙ্গা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ঐ তরুণী।

মামলায় অভিযুক্ত মো. ফারুক নামে এক বাস হেলপারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস। চালক ও সুপারভাইজার পলাতক রয়েছেন।

গ্রেফতার ফারুক ডুলাহাজারা ইউপির ছগিরশাহকাটা দক্ষিণ পাহাড় গ্রামের আবু সৈয়দের ছেলে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধর্ষণচেষ্টার দাবি করে ঐ তরুণী চকরিয়া থানায় একটি মামলা করে। এতে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

Advertisement

জানা যায়, ঐ তরুণী কক্সবাজার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ১ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা। ৫-৬ দিন আগে কাজের খোঁজে তিনি ক্যাম্প থেকে পালিয়ে চট্টগ্রামে যান। কাজ না পেয়ে ক্যাম্পে ফেরার জন্য হানিফ পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসভাড়া দিতে না পারায় তাকে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে নামিয়ে দেয় বাসটি। টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা শ্যামলী পরিবহনের একটি লোকাল বাসের হেলপার তাকে কোথায় যাবেন জানতে চায়। পরে উখিয়া পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ঐ কিশোরীকে খালি একটি বাসে তোলেন। এরপর চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী ব্রিজ এলাকায় নিয়ে চালক-সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে বাসের ভেতর দলবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় ওই তরুণী চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে হেলপার মো. ফারুককে পুলিশে সোপর্দ করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে। তরুণীর করা মামলায় তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বাসের হেলপার ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!