আহতরা হলেন সেনবাগ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন (এএসআই) শ্রীবাস, কনস্টেবল রুনি বড়ুয়া ও গ্রাম পুলিশ আবদুল মান্নান এবং সুজন পাল । তাদের সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সএ ভর্তি করা হয়েছে।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে সেনবাগ থানার এসআই আল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনবাগ উপজেলার ৩ নম্বর ডমুরুয়া ইউনিয়নের বাবুপুর শ্রীপুর গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (ছিলোনীয়া পাড়া) এলাকায় রুকু মিয়ার ছেলে তেজগাঁও থানার দস্যুতা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মনির হোসেনকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।
.png)
হ্যান্ডকাপ পরিয়ে তাকে থানার আনার পথে স্থানীয় দুই ইউপি মেম্বার মহিন উদ্দিন ও তার স্ত্রী একই ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার হোসনে আরার নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জনের একদল সন্ত্রাসী পুলিশের ওপর অতর্কিতে লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামি মনিরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এতে পুলিশের তিন সদস্য ও দুই গ্রাম পুলিশ আহত হয়। ঘটনার পর টানা অভিযানের দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা পর পার্শ্ববর্তী কুমিল্লার লাঙ্গলকোর্ট উপজেলার চাঁদপুর এলাকা থেকে আসামি মনির হোসেনকে হ্যান্ডকাপসহ পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের ওপর হামলা ও আাসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় সেনবাগ মামলা হয়েছে।
ওসি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামি মনির হোসেনকে রোববার দুপুরে নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।