আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর নোমে একজনকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার সিংহঝুলি ইউপির মাজালী গ্রামের এবং বিপ্লব হোসেন হাকিমপুর ইউপির দেবিপুর গ্রামের বাসিন্দা। আহত দুজন সুখপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে বুধবার বেলা ১২টার মধ্যে চৌগাছা-যশোর, চৌগাছা-কোটচাঁদপুর ও চৌগাছা-মহেশপুর সড়কে পৃথক এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায, বুধবার বেলা ১২টার দিকে যশোর চৌগাছা সড়কের চৌগাছা সরকারি কলেজ সংলগ্ন ব্র্যাক অফিসের পাশে একটি ভ্যান থেকে কাঠ নামিয়ে একটি দোকানে রাখছিলেন ভ্যানচালক নজরুল ইসলাম। এ সময় যশোরের দিক থেকে একটি বিচলি বোঝায় পাওয়ার টিলার দিয়ে তৈরি ট্রলি দিক পরিবর্তন করে সড়কের অপরপাশে যেয়ে নজরুল ইসলামকে নিয়ে রাস্তার পাশের একটি মেহগনি গাছের সাথে ধাক্কা দিলে ট্রলিটির সামনের অংশ ভেঙে পড়ে নজরুল ইসলাম গাছের সঙ্গে আটকে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নজরুল ইসলামকে সে অবস্থায় রেখে ট্রলিটির চালক পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা নজরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করেন।
চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, লাশ উদ্ধার করে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ট্রলি চালককে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে সড়কের পাশে পড়ে থাকা বিপ্লব হোসেন ওরফে বিল্লালের রক্তাক্ত লাশ চৌগাছা-কোটচাঁদপুর সড়কের মুক্তদাহ মোড় থেকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন অজ্ঞাত পথচারি ও ইজিবাইক চালকরা। পরে স্থানীয়রা চিনতে পেরে পরিবারের সদস্যদের সংবাদ দিলে হাসপাতালে এসে তার লাশ শনাক্ত করেন। বিপ্লব হোসেন উপজেলার হাকিমপুর ইউপির দেবিপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং দেবিপুর বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা করেন।
চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, মোবাইলে কথা বলতে বলতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই দিন পৃথক আরো দুটি দুর্ঘটনায় জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং অন্য চারজনকে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।