শনিবার দুপুরে শহরের ইঁদুরবটতলী এলাকা থেকে এসব সামগ্রী জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করা হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার রানীনগর উপজেলার বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানের মালিক রুবেল হোসেন, নওগাঁ শহরের খাস-নওগাঁ মহল্লার বাসিন্দা ও প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার গুলজার হোসেন, সদর উপজেলার তিলকপুর গ্রামের নবীর হোসেন এবং চুনিয়াগাড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফা। এই চারজনকে একমাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই প্রতিষ্ঠানের আরও চার কর্মচারীর প্রত্যেককে এক হাজার করে মোট চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
.png)
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নওগাঁর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নওগাঁ শহরের ইঁদুরবটতলী হাজি মনসুর সড়কের পাশে একটি বাড়ির নিচতলায় রুবেল হোসেন অসৎ উদ্দেশ্যে অননুমোদিতভাবে প্রেগন্যান্সি কিট প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করে ঢাকাসহ সারাদেশে বাজারজাত করে আসছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের অনুমোদিত প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট এবং কিট তৈরিতে ব্যবহৃত কেমিক্যালস, যন্ত্রপাতি ও প্যাকিং সামগ্রী জব্দ করা হয়।
তাহমিদুল ইসলাম আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে ওষুধ প্রশাসনের মাধ্যমে মামলা দায়ের এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযানের সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি ডা. আশিস কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন।