সোমবার (২১ মার্চ) নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলমের আদালত এই আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন - কার্গো জাহাজ এমভি রূপসী-৯ এর প্রথম শ্রেণির মাস্টার রমজান আলী, দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার নুরুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মো. নাদিম হোসেন, লস্কর সুমন হোসেন ও ইয়াছিন মিয়া, গ্রিজার রিয়াদ হোসেন ও সুকানী জাহিদুল ইসলাম।
.png)
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, লঞ্চডুবির ঘটনায় গ্রেফতার প্রত্যেককে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এদিকে জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চডুবির ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ)’র নৌ-নিরাপত্তা উপ-পরিচালক বাবু লাল বৌদ্ধ বাদী হয়ে নৌ থানায় এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদফতরে (নৌ আদালতে) মামলা দুটি করেন।
রবিবার (২০ মার্চ) বেলা ২টা ২০ মিনিটে শীতলক্ষ্যা নদীর চর সৈয়দপুর এলাকায় এমভি রূপসী-৯ নামে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় মুন্সীগঞ্জগামী লঞ্চ এমএল আফসার উদ্দিন ডুবে যায়। এ সময় লঞ্চের ১৫ থেকে ২০ যাত্রী সাঁতরে তীরে ওঠেন। লঞ্চটিতে প্রায় অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল বলে বেঁচে ফেরা কয়েকজন যাত্রী দাবি করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আট জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিন জন নারী, তিন জন পুরুষ ও দুই শিশু। নিখোঁজ রয়েছেন আরও চার জন।