শুক্রবার দুপুরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে আখাউড়া সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফেরেন সন্তোষ দেব। এদিন ভারতে আটকে পড়া আরো চার বাংলাদেশিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে ত্রিপুরায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন।
ভারত থেকে ফেরা বাকি চারজন হলেন- নারায়নগঞ্জের খালেক সর্দারের ছেলে বিজয় চুমু, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের কামাল ব্যাপারীর মেয়ে ময়না বেগম, পটুয়াখারী রাঙ্গাবালীর আফাজ উদ্দিন মৃধার মেয়ে রোজিনা বেগম ও কুমিল্লা চান্দিনার খালেক মিয়ার মেয়ে কুলসুম বেগম। তারা ৫-১০ বছর ভারতে আটকা ছিলেন।
.png)
আখাউড়া স্থলবন্দরের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ঐ পাঁচ বাংলাদেশিকে গ্রহণ করেন ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ, প্রথম সচিব মো. রেজাউল হক, আখাউড়ার ইউএনও রুমানা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মসূচি প্রধান শরিফুল ইসলাম, ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ আবু বক্কর প্রমুখ।
ভারত ফেরত কুমিল্লা চান্দিনার কুলসুম বেগমের ভাই আবুল বাশার জানান, তার বোন ২০১৪ সালে হঠাৎ স্বামীর বাড়ি কুমিল্লার দুর্গাপুর থেকে নিখোঁজ হন। পরে পুলিশের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে কুলসুম বেগম ভারতের আগরতলায় আছেন। এতদিন পর তাকে ফিরে পেয়ে সবাই খুব খুশি।
ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ জানান, পাঁচ বাংলাদেশিই মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ত্রিপুরায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হতে আটক হন। পরে আদালতের নির্দেশে আগরতলার মর্ডান সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে তারা চিকিৎসা নেন। তারা ঐ হাসপাতালে ৪-৫ বছর বা আরো বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাদের দেশে ফেরত আনা হয়। ঐ হাসপাতালে আরো কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন। পর্যায়ক্রমে তাদেরও দেশে ফেরত আনা হবে।