ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ জানান, আলদির মাঠার (কমল ঘোষের মাঠা) কারখানায় অভিযানকালে দেখা যায়, নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাঠা প্রক্রিয়াজাত ও প্রস্তুত করা হচ্ছে। মাঠার কারখানার পাশেই সব আবর্জনা ফেলা হচ্ছে, বিপুল পরিমাণে মাছি ও অন্যান্য পোকা মাঠার পাত্রে বসছে। কোনো পেস্ট কন্ট্রোল মেকানিজম সেখানে নেই। পচিশ বছর ধরে মাঠা বিক্রি করলেও কোনো লাইসেন্স তিনি গ্রহণ করেননি।
তিনি জানান, প্রস্তুতকারক মাঠার উপাদান হিসেবে গাভির দুধ, পানি, চিনি ও লবণের কথা প্রথমে বলেন, কিন্তু অনুসন্ধান করে বস্তার গুঁড়াদুধ ও স্যাকারিন পাওয়া যায় কারখানাতে। এগুলো মেশানোর কথা তারা পরবর্তীতে স্বীকার করেন। মাঠা ঠান্ডা করতে বরফকল হতে আনা বস্তার বরফ ব্যবহার করতে দেখা যায়। মাঠার বোতলে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, এম আর পি, উপাদান ও পরিমাণ কিছুই উল্লেখ করা হচ্ছে না। এ সময় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
.png)
অভিযানে মুন্সীগঞ্জ ব্যাটালিয়ন আনসার এর একটি টিম ও উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জামাল উদ্দিন মোল্লা সহযোগিতা করেন।