নিহত সাহিদা স্থানীয় দিলু মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শিশিুটির বাবা দিলু মিয়ার সঙ্গে তার প্রতিবেশী সুলতান মোল্লার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মামলাও চলছে। এই দুই পরিবারের বাড়ি পাশাপাশি। রোববার ভোরে দুই বাড়ির মাঝখানে শিশু সাহিদার ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবারের লোকজন। পরে পুলিশকে দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
.png)
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মুজিবুর রহমান বলেন, শিশুটির শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শত্রুতার জেরে শিশুটিকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তার পরিবারের লোকজন ধারণা করছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরো জানান, ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের প্রতিবেশী সুলতান মোল্লার পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।