এর আগে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের পদিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে হত্যার অভিযোগে সৎ মাকে আটক করে।
মৃত শিশুর মা সামছুন নাহার অভিযোগে জানান, ২০১৩ সালে পারিবারিকভাবে তাকে বিয়ে করে উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের পদিপাড়া গ্রামের জাফর মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক। বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলে সন্তান হয়। তার নাম আব্দুল্লাহ আল নাফিজ, বর্তমান বয়স ৮ বছর। শিশুটি শাহানাপাড় একটি এতিমখানায় পড়ালেখা করতো। ওমর ফারুকের সঙ্গে একই গ্রামের নুপুর নামে এক মেয়ের মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক হলে একপর্যায় সে ওই মেয়েকে বিয়ে করে। পরে তাকে ২০১৯ সালে তালাক দেয়।
.png)
মা হারা শিশুটিকে এতিমখানা থেকে বাড়িতে এনে তার সৎ মা নির্যাতন করত। তার পিতার অনুপস্থিতে তার সৎ মা শনিবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে শিশু নাফিজকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে কাঁথা দিয়ে লাশ মুড়িয়ে খাটের ওপর শুইয়ে রাখে । পরে তার বাবা বাড়িতে এসে তার সন্তানকে চারদিকে খোঁজাখুঁজি করে সৎ মাকে অন্যের ঘর থেকে ডেকে আনে। এক পর্যায়ে খাটের ওপর কাঁথা উঁচু করে মুড়ানো দেখে কাঁথা সরিয়ে দেখে শিশুটির লাশ। তার নাকের পাশ দিয়ে রক্ত ও আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সৎ মা নুপুরকে আটক করে।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি জানান, হত্যার অভিযোগে শিশুটির বাবা মৃতের সৎ মাকে আসামি করে মামলা করেছেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।