স্থানীয় জনতা ঘাতক হাবিবুল্লাহকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে। নিহত সাইফুল ইসলাম কালিগঞ্জ উপজেলার গণেশপুর গ্রামের আলাউদ্দিন গাজীর ছেলে।
নিহতের স্ত্রী বিলকিস বেগম জানান, তার ভাসুর আব্দুস সামাদ গাজী তার অংশ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করে সেখানে বাড়ি ঘর বানিয়ে বসবাস করছেন। এরপরও তিনি তার জমি তাদের (সাইফুল) সীমানার মধ্যে আছে বলে দাবি করে আসছিলেন। এ নিয়ে বিরোধও হয়েছে কয়েকবার।
.png)
সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তার স্বামী নিজের সীমানার মধ্যে শৌচাগারের হাউজ বানাতে গেলে ভাসুর সামাদ গাজী এসে শাবল দিয়ে সাইফুলের মাথায় আঘাত করতে যান। শাবল ধরে ফেলে সাইফুল। চিৎকার শুনে তিনি ও তার বোন তানিয়া ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভাসুর সামাদের ছেলে রতনপুর আইডিয়াল কলেজের স্নাতক পরীক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ ধারালো রাম দা দিয়ে সাইফুলের পেট ও হৃদপিণ্ডের ওপর কোপ মারে। এতে সাইফুলের নাড়ি ভুড়ি বের হয়ে যায়। প্রতিবেশিরা মোটরসাইকেলে করে সাইফুলকে প্রথমে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সে মারা যায়। ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক হাবিবুল্লাহকে গণধোলাই দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, সাইফুলের লাশের ময়না তদন্তের জন্য মঙ্গলবার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘাতক হাবিবুল্লাহকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দাসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।