গ্রেফতারকৃত মো. রাসেল রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন পাতিরা এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে। বুধবার রাতে নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর খিলক্ষেত থানাধীন ডেলনা এলাকার মজিবর রহমান ব্যবসায়িক কাজে বের হন। পরদিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল ২৫নং সেক্টরের ওয়েস্টার্ন চত্বরের পশ্চিমে গজারি বনের ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঐ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমি বেগম কালীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। দীর্ঘ দেড় বছর পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রাসেল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
.png)
তিনি আরো জানান, রাসেল ও তার সহযোগীরা মজিবরের সঙ্গে জমি বেচাকেনার মাধ্যম হিসেবে কাজ করৎ। ঢাকার খিলক্ষেতের পাতিরা মোড় এলাকার মো. নছু মিয়া পূর্বাচলে তার একটি প্লট বিক্রির জন্য মজিবরকে দায়িত্ব দেন। পরে মজিবর ও আসামিরা প্লটটি ভালো দামে বিক্রি জন্য চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করে। আসামিরা প্লট বিক্রির লভ্যাংশ দাবি করলে মজিবর টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে আসামিরা মজিবরকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ঘটনার আগেরদিন বিকেলে তারা মজিবরকে পূর্বাচল ২৫নং সেক্টরের গজারি বনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তারা একসঙ্গে মাদক সেবন করে। মাদক সেবন শেষে আসামিদের একজন মজিবরের কপালে ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। পরে তারা মজিবরের হাত পা চেপে ধরে বুকের উপর বসে প্লাস দিয়ে পায়ের নখ তুলে ফেলে। এক পর্যায়ে গলা টিপে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে সেখানেই লাশ ফেলে চলে যায়।
পিবিআই কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃত রাসেল আদালতে স্বীকারোক্তি এবং বাকি আসামিদের নাম উল্লেখ করে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।