এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামি শাহরাস্তি উপজেলার আবদুর রবের ছেলে আব্দুল মালেক পিবিআই’র হাতে আটক হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমিন দম্পতির খুনের কথা স্বীকার করেছে। চুরি করতে এসে দম্পতিকে খুন করে তাদের মোবাইল নিয়ে যান মালেক। পরে সেই মোবাইলের সূত্র ধরে খুনিকে শনাক্ত করা হয়েছে। যে রড দিয়ে আঘাত করে তাদেরকে খুন করা হয়েছে, সেই রডও উদ্ধার করা হয়েছে।
খুনি আবদুল মালেক এলাকায় চিহ্নিত চোর বলে জানা যায়। এই ঘটনায় চুরি হওয়া মালামাল ইলিয়াস হোসেন ও মো. বশির এর কাছে পাওয়া যাওয়া যায় বলে, এদের দুইজনকেও আটক করা হয়েছে।
.png)
আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, ঘটনার রাতে ভিকটিম মৃত নুরুল আমিনের ভবনের মূল গেট খোলা পেয়ে আসামি গোপনে চুরির উদ্দেশ্যে ঘরে প্রবেশ করে। পরে সিঁড়ি দিয়ে ছাদের ওপর অবস্থান করতে থাকে। এসময় ভিকটিম নুরুল আমিন ছাদে উঠলে আসামি পেছন দিক থেকে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে তাকে হত্যা করে।
এরপর সে বাসায় প্রবেশ করে কেবিনেট খোলার চেষ্টা করলে, নুরুল আমিনের স্ত্রী কামরুন নাহার চোরকে চিনতে পারে। এজন্য তাকেও রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ দিন পর কামরুন নাহার মারা যান।
খুনি মালেক স্বীকার করেছে, তার আঘাতেই ওই দম্পতি খুন হন।
এই চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য উদঘাটন হওয়ায় এলাকায় জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।