মঙ্গলবার দুপুরে রংপুরের বিশেষ জজ রেজাউল করিম এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই রাতে আসামি লাভলু মিয়া চুরির উদ্দেশ্যে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শংকরপুর মধ্যপাড়া গ্রামের গৃহবধূ রেহেনা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে। ড্রয়ার খুলে টাকা চুরির পর রেহেনা বেগমের কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেয়। ঐ সময় লাভলুকে চিনতে পেরে নাম ধরে ডাক দেন রেহেনা বেগম। নিজেকে বাঁচাতে লাভলু তাকে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। এরপর লাশ বাড়ির অদূরে একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে দেয়।
.png)
ঐ ঘটনায় নিহত রেহেনা বেগমের ছেলে খোরশেদ আলম মিঠাপুকুর থানায় হত্যা মামলা করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ লাভলু মিয়াকে গ্রেফতার করলে সে দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়। পরে পুলিশ লাভলু মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি লাভলু মিয়াকে যাবজীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৪ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দেড় মাসের কারাদণ্ড দেয়।