বুধবার দুপরে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষেন আইনজীবী নারী ও শিশু আদালতের স্পেশাল পিপি এ কে এম নুরুল হুদা রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলামের বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শাকরাইল এলাকায়। অপর দিকে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাড়ি একই উপজেলায় এবং তিনি একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
.png)
মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২ আগস্ট ওই স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় আসামি সাইফুল ইসলাম তার সহযোগী একই এলাকার নবীন মিয়া, মিলন মিয়া, মো. সাদ্দাম হোসেন, রবিন মিয়া, পলাশ হোসেন ও জসিম মিয়ার সহযোগীতায় ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করেন। তাদের সহযোগিতায় সাইফুল ইসলাম স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণকালে তার সহযোগীরা মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন। পরে এ ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বিষয়টি জানতে পারে। তিনি বাদী হয়ে ঘিওর থানায় ধর্ষণ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পরে ঘিওর থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু তালেব তদন্ত শেষে ওই ৭ জনের নাম উল্লেখ্য করে ২০১৫ সালের ১৫ মার্চে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামির উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় নবীন মিয়া, মিলন মিয়া, মো. সাদ্দাম হোসেন, রবিন মিয়া, পলাশ হোসেন ও জসিম মিয়াকে মামালা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু কোর্টের স্পেশাল পিপি এ কে এম নুরুল হুদা রুবেল বলেন, মামলায় যাবজ্জীবন কারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির জরিমানার ৫০ হাজার টাকা ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।