অপহৃত কলেজছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ২
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এক কলেজছাত্রীকে অপহরণের একদিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় গ্রেফতার করা হয়েছে দুই যুবককে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ফতুলার পোস্ট অফিস রোড এলাকা থেকে নাহিদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে, বুধবার রাতে সোহান ওরফে রুবেল নামক অপর এক অপহরনকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত সোহান ওরফে রুবেল ফতুল্লা থানার শারজাহান রি-রোলিং মিলস এলাকার মোস্তফার ছেলে, নাহিদ হোসেন ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুরের মনির হোসেনের ছেলে।
.png)
বুধবার দুপুরে ফতুল্লার পাগলা হাজী মিছির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে থেকে ঐ কলেজছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। ঐ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর মা ফতুল্লা মডেল থানায় রাতেই মামলা করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদীর মেয়ে পাগলা হাজী মিছির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। কলেজে যাতায়াতের পথে প্রায়ই তাকে শারজাহান রি-রোলিং মিলস এলাকার সোহান ওরফে রুবেল উত্যক্ত করত। এ বিষয়ে তিন মাস আগে সোহান ওরফে রুবেলের নিকটাত্মীয় রফিকুল ইসলাম টিপুকে জানালে তিনি আস্বস্ত করেন যে সোহান ওরফে রুবেল আর কখনো বিরক্ত করবে না।
বুধবার দুপুরে বাদীর মেয়ে হাজী মিছির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন ই হক কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য ফতুল্লার শিয়াচর লাল খা এলাকার বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু কোচিং শেষে বাসায় না ফেরায় তার সহপাঠীদের কাছে ফোন করলে তারা জানায় ঐ ছাত্রী কোচিংয়ে যায়নি। তারা আরো জানায়- তাকে সোহান ওরফে রুবেল, নাহিদ, ফয়সালসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনের সঙ্গে দেলপাড়া থেকে পাগলার দিকে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে অভিযুক্ত সোহান ওরফে রুবেলের পরিবারের দাবি, অপহরণ নয়- ঐ কলেজছাত্রী প্রেমের টানে স্বেচ্ছায় সোহান ওরফে রুবেলের সঙ্গে পালিয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার এসআই হারেছ শিকদার জানান, অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপহরণের ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।