রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাজুল ইসলাম এবং রেজাউল করীম আসামিদের উপস্থিতিতে আলাদাভাবে দুটি রায় দেন।
মামলার বরাতে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৫ জানুয়ারি দৌলতপুরের নারায়ণপুর দহকুলা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ফিরোজকে (২৫) ইন্তাদুল ও রুহুল আমিন বাড়ি থেকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। পরে ঐদিন রাত ১১টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে ফিরোজের লাশ তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে চলে যায়।
.png)
এ ঘটনায় হত্যার অভিযোগ এনে নিহত ফিরোজের বাবা দুই জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল মিরপুর থানার এএসআই ইকবাল হোসেন অভিযোগপত্র জমা দেন।
অপরদিকে, ২০১১ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে পারিবারিক কলহের জেরে দৌলতপুরের দীঘলকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামের হোচেন আলী তার স্ত্রী মরজিনা খাতুনকে (৩৭) গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মারজেল মণ্ডল বাদী হয়ে হোচেনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
পরে দৌলতপুর থানার এসআই আবুল কালাম ২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল মামলাটির অভিযোগপত্র জমা দেন। পিপি বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে পৃথকভাবে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয় আদালত।