বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতারণার মামলায় তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, বুধবার রাত সোয়া একটার দিকে ওই উপজেলার খোলাশ মধ্যপাড়া গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি নকল স্বর্ণের মূর্তি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মুঠোফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন দুপচাঁচিয়ার খোলাশ মধ্যপাড়া গ্রামের মোমেনা বিবি, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম। তবে শহিদুল অস্থায়ীভাবে দুপচাঁচিয়া উপজেলার খোলশা মধ্যপাড়া গ্রামের বসবাস করে আসছেন। বাকি দুজন হলেন দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালুচ গ্রামের আব্দুর রশিদ ও একই গ্রামের সামছুল ইসলাম।
.png)
এ তথ্য নিশ্চিত করে বগুড়া র্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার (সহকারী পুলিশ সুপার) মো. নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নকল সোনার মূর্তিসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে নকল সোনার মূর্তি দিয়ে জনসাধারণকে প্রতারিত করে আসছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের মূর্তি দিয়ে তারা নানা ধরণের প্রতারণা করেন। এভাবে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন তারা। গ্রেফতারকৃত চারজনকে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
তিনি আরো জানান, র্যাবের এ ধরনের আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার করা হবে।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, নকল সোনার মূর্তিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করে র্যাব। প্রতারণায় মামলায় আজ দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।