অনুমোদন পাওয়া অস্থায়ী হাট তিনটি হলো- নূর নগর হাউজিং এস্টেট, সল্টগোলা রেল ক্রসিং সংলগ্ন হাট ও দক্ষিণ পতেঙ্গার বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টি কে গ্রুপের খালি মাঠ। এছাড়া নগরের স্থায়ী তিন হাট হলো- সাগরিকা বাজার, বিবিরহাট ও পোস্তারপাড় ছাগলের হাট।
চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, তিনটি অস্থায়ী পশুরহাট বসানোর অনুমোদন দিয়েছে জেলা প্রশাসন। দ্রুত সময়ের মধ্যে হাটগুলো ইজারা দেয়া হবে। ঈদুল আজহার আগের ১০ দিন হাটগুলো বসবে।
.png)
মানতে হবে যে ১৭ শর্ত
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া ১৭ শর্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- অস্থায়ী পশুর হাট-বাজার প্রধান সড়ক থেকে ন্যূনতম ১০০ গজ দূরে সুবিধাজনক স্থানে বসাতে হবে, যাতে কোনো অবস্থাতেই প্রধান সড়কের যানবাহন চলাচলে বিঘ্নের সৃষ্টি না হয়; পশুর হাট-বাজারের মাঠের চৌহদ্দির বাইরে ও রাস্তায় কোনো পশু রাখা যাবে না বা খুঁটি স্থাপন করা যাবে না; করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধে পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে।
এছাড়া কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার একমুখী চলাচল থাকতে হবে, অর্থাৎ প্রবেশপথ ও বহির্গমনের পথ পৃথক থাকতে হবে। পাশাপাশি সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বাজারে যেন কোনো রকমের জটলার সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে; বৃদ্ধ ও শিশুদের পশুর হাটে প্রবেশে নিরুৎসাহিত করতে হবে; অনলাইনে পশু ক্রয়-বিক্রয়কে উৎসাহ প্রদান করতে হবে; পশুর হাটে ইজারাদারদের নিজস্ব পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে; সব পশুর হাটে পশুর সুস্থতা যাচাই করার জন্য ভেটেরিনারি চিকিৎসক বা সার্জনের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে; বাজার এলাকা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করতে হবে; পশুর হাটের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইজারাদার কর্তৃক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
রাস্তায় পশু পরিবহনের সময় ইজারাদার কিংবা তার মনোনীত প্রতিনিধি কর্তৃক কোনো প্রকার পশু পরিবহনকারী গাড়ির পথ পরিবর্তন কিংবা নিজস্ব হাটে পশু নিতে বাধ্য করা যাবে না।