জানা গেছে, ওই গ্রামের শুনীল মিত্রের ছেলে সুমন মিত্রের বাড়িতে শুক্রবার অবস্থান নেন প্রেমিকা চৈতী বিশ্বাস। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মাতব্বররা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের দুজনের বিয়ের আয়োজন করা হয়।
চৈতীর দাবি, সুমনের সঙ্গে তার প্রায় এক বছরের প্রেমের সম্পর্ক চলছে। তারা অন্তরঙ্গ হয়ে অনেক ঘনিষ্ট সময়ও কাটিয়েছেন স্বামী-স্ত্রীর মতো। সুমনের পরিবার তাদের সম্পর্কের বিষয়টি আগে থেকেই জানতো।
চৈতী আরো জানান, তিনি বিবাহিতা ছিলেন। আগের স্বামীকে তিনি তালাক দেন সুমনের বিয়ের আশ্বাসে। তবে আগের স্বামীকে তালাক দেওয়ার পরপরই তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করছে সুমন। এর ফলে তিনি বিয়ের দাবি নিয়ে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
.png)
এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামের মাতুব্বরেরা বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসেন। স্থানীয় নেতা কাইয়ুম মোল্যা বলেন, মেয়েটি সকাল থেকে বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে অবস্থান করছে বলে জানতে পারি। পরে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তার সঙ্গে ছেলেটার ঘনিষ্ঠতা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ আমাদের দিয়েছে।
ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মো. সুমিনুর রহমান বলেন, পুলিশের কাছে এ ধরনের কোনো খবর আসেনি। তবে এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখবেন।