হামলাকারী এনামুলকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার বেলটিয়া এলাকার আইন উদ্দিনের ছেলে। আহত শাশুড়ি রিনা বেগম ও বাবুকে ওই রাতেই বকশীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১১ সালে এনামুল হকের সঙ্গে সীমারপাড় গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে পপির বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকে এনামুল যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০১৯ সালে পপির সঙ্গে এনামুলের বিচ্ছেদ হয়।
.png)
বৃহস্পতিবার রাতে পপির বাড়িতে আসেন এনামুল। পপি বাড়িতে না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে শাশুড়ি রিনা বেগমকে কুপিয়ে আহত করেন তিনি। এ সময় চিৎকারে প্রতিবেশী বাবু এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে এনামুলকে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। তিনি এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে আছেন।