নিহত শাশুড়ি মর্জিনা খাতুন দেবীশহর গ্রামের আব্দুর রহমানের স্ত্রী। মিতা পারভিন মর্জিনা খাতুনের ছোট ছেলে হাসান কারিগরের স্ত্রী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেবীশহর গ্রামের কারিগরপাড়ায় বসবাসকারী এক প্রতিবেশি জানান, তুচ্ছ ঘটনায় বউ-শাশুড়ির পারিবারিক কলহ ছিল চরমে। বুধবার বিকেলে রান্না করা নিয়ে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শাশুড়ি মর্জিনা খাতুন মিতা পারভিনকে চড় মারেন। ক্ষিপ্ত হয়ে বউ এ সময় শাশুড়িকে দেয়ালে ধাক্কা মারেন। এতে শাশুড়ির মাথা ফেটে গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মর্জিনা খাতুনকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে সখিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বুধবার রাতে মর্জিনা খাতুন চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান।
.png)
মর্জিনার স্বামী আব্দুর রহমান জানান, ‘মরদেহ বাড়িতে এনে রাখা হয়েছে। বাদ যোহর জানাজা হবে। পারিবারিক কলহে বউমার দেওয়া ধাক্কায় শাশুড়ি মারা গেছেন। মামলা-মোকাদ্দমার ঝামেলায় যাব না বিধায় ময়নাতদন্ত করা হয়নি।’
দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।