জানা গেছে, সন্ত্রাসীদের অতর্কিতে হামলায় আহত মো. সোহরাব হোসেনকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। পূর্ববিরোধের জের ধরে তার ওপর হামলার আশঙ্কায় সোহরাব গত ৫ মে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে হামলাকারীরা আরে ক্ষিপ্ত হয়।
গত ৮ জুলাই ওত পেতে থাকা ব্রাহ্মণপাড়ার ধান্যদৌল গ্রামের সৈয়দ তানভীর, ফেরদৌস নাঈম, ফারুক আহমেদ ও আবুল বাশারসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন সোহরাবকে মোটরসাইকেল থামিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে।
.png)
সোহরাব বলেন, আমাকে শ্বাসরোধ হত্যার চেষ্টা করে সন্ত্রাসীরা। পরে হান্নান নামক একজন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। অভিযুক্তরা আমার সঙ্গে থাকা গরু কেনার ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
সোহরাব আরো জানান, আমাকে প্রথমে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে অবস্থা খারাপ দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। আমার বাবা অবস্থা দেখে স্ট্রোক করেন। ঘটনার দুদিন পর তিনি মারা যান।