শুক্রবার রাতে উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত চম্পা একই গ্রামের চন্দ্র বিশ্বাসের স্ত্রী।
নিহতের দেবর উত্তম কুমার বলেন, চার বছর আগে আমার ভাইয়ের ছেলে চন্দন বিশ্বাস মারা যায়। এরপর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ভাবি। শুক্রবার রাতে খাওয়া শেষে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। রাত ১২টার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাড়ির সামনে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন আমার ভাই চন্দ্র বিশ্বাস।
.png)
তিনি আরো বলেন, সাড়ে ১২টার দিকে শব্দ শুনে ঘরে ঢুকে দেখেন আড়ার সঙ্গে ঝুলছেন চম্পা রানী। পরে ভাইয়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে নিচে নামান। কিন্তু এর আগেই তিনি মারা যান।
চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, এ ঘটনায় চৌগাছা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।