মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফোন নাম্বার ক্লোন করার বিষয়টি সম্বদ্ধে অবগত হন বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোলেমান আলী।
এদিকে সকাল থেকেই বোদা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সরকারি প্রকল্পের কথা বলে ফোন দেওয়া শুরু করে প্রতারক চক্র। বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে এবং উপজেলার সব ইউপি চেয়ারম্যান ও সাধারণ জনগণকে টাকা লেনদেনে সচেতন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
.png)
খবর নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে প্রতারক চক্র প্রথমে বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানকে ফোন দিয়ে একটি সরকারি প্রকল্প চেয়ারম্যানকে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য দ্রুত একটি নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলে। চেয়ারম্যান বিষয়টি বুঝতে পেরে এবং ফোনে আওয়াজ ভিন্ন শুনে প্রশাসনকে জানায়। পর্যায়ক্রমে বড়শশী ইউপি চেয়ারম্যান রেয়াজুল করিম প্রধানকে একই কথা বলে ফোন দেয় ওই চক্র। তিনিও বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রশাসনকে জানায়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টাকা লেনদেন না করতে সবাইকে সচেতন করে বলা হয় যে, কোনো প্রকল্পের জন্য ফোন দেওয়া হয়নি। এটি একটি প্রতারক চক্রের কাজ।
ইউএনও সোলেমান আলী জানান, এ বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর থেকে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। কেউ প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে আর্থিক লেনদেন করবেন না। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের মাধ্যমে সচেতন করা হয়। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রস্তুতি চলছে।