মঙ্গলবার ভোরে ফরিদপুর শহরের খাদ্য গুদাম সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি লোহার তৈরি ছেনি ও হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, লালন মোল্লার বাড়ি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী এলাকায়। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। তার স্ত্রীর বাবার বাড়ি ফরিদপুরের চাঁদপুর ইউনিয়নের ভাটদি এলাকায়। প্রায় ২০ বছরের দাম্পত্য জীবনে তারা নিঃসন্তান ছিলেন। শহরের অম্বিকাপুর খাদ্য গুদাম সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়িতে গত এক যুগ ধরে বসবাস করে আসছিলেন তারা।
.png)
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই জগন্নাথ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী লালন জানিয়েছেন যে, মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাজেদার বাম কানের পাশে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন এবং মাথার ভেতরে ছেনি ঢুকিয়ে দেন। কয়েকবার মাথায় এরকমভাবে আঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
হাতুড়ি-ছেনি দিয়ে স্ত্রীকে হত্যার পর লালন নিজেই প্রতিবেশীদের ডেকে তার স্ত্রীকে হত্যার কথা জানান। পরে এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তখনও লালন লাশের পাশেই বসে ছিলেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল বলেন, সাজেদা খাতুন নামে ঐ গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন তার স্বামী লালন মোল্লা। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ফরিদপুরের বিএসএমএমসি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্বামী লালনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।