মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক এইস এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।
দণ্ডিত আনোয়ারুল ইসলাম গাংনী উপজেলার গাঁড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুরুল হক বিশ্বাসের ছেলে। আর বাদী হলেন- তার জামায় একই গ্রামের হাজী আমিনুল ইসলামের ছেলে বর্তমানে কাথুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা।
.png)
মামলার বিবরণে জানা গেছে, শ্বশুর আনোয়ারুল ইসলাম ও জামাই মিজানুর রহমান রানা (চেয়ারম্যান) একসঙ্গে ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়ীক লেনদেনের কারণে শ্বশুরের কাছে জামাই ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওনা হয়। পরে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য আনোয়ারুল ইসলাম ৮/০৬/২০২০ তারিখে তার নিজ নামীয় জনতা ব্যাংখ লিমিটেড, মেহেরপুর শাখার চলতি হিসাব নং ১৪৬১/৩ একটি চেক প্রদান করেন জামাই মিজানুর রহমান রানাকে।
৮/০৬/২০২০ তারিখে নগদায়নের জন্য চেকটি ওই ব্যাংকে দিলে ওই হিসাব নং এ টাকা নেই বলে জানিয়ে ডিজঅনার সার্টিফিকেট দেয় ব্যাংক। বিষয়টি তার শ্বশুরকে জানালে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে এক সপ্তাহ সময় নেন। এরপর শুরু হয় বিভিন্ন সময় নিয়ে ঘোরানো। পরে ১১/০৬/২০২০ তারিখে আসামির বিরুদ্ধে বিধানমতে ডাকযোগে একটি নোটিশ প্রদান করেন। এছাড়া চেকের টাকা পরিশোধ করে চেকটি ফেরত অথবা বাতিল করার অনুরোধ করে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে ১৪/০৬/২০২০ এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারা মতে লিগ্যাল নোটিশ প্রকাশিত হয়।
কোনো জবাব না দেওয়ায় নেগোটিয়্যাবল ইন্সটুমেন্ট এ্যাক্ট ১৮৮১ এর ১৩৮(১)(খ) ধারায় মামলাটি করেন বাদী তার জামাই মিজানুর রহমান রানা। যার সেসন মামলা নং ৮৬/২০ ইং। মামলায় তিনজন স্বাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
মামলার বাদী কাথুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা বলেন, এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। এই রায়ের মাধ্যমে আদালতে আইন সবার জন্য সমান প্রমাণ করেছে।
মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট পল্লভ ভট্টচার্য ও আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।