ঢাকা,  রোববার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

আলুক্ষেতে কিশোরের গলাকাটা দেহ: ১৬ বছর পর দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন

পিরোজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৩৮, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
আলুক্ষেতে কিশোরের গলাকাটা দেহ: ১৬ বছর পর দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন
দণ্ডিতকে কারাগারে পাঠায় আদালত

পিরোজপুরের ইন্দুরকানিতে কিশোরকে হত্যা মামলায় দুই ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম নূরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় খালাস পেয়েছেন আরো তিনজন।

দণ্ডিতরা হলেন- ইন্দুরকানির কলারণ গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে ৫২ বছর বয়সী মো. হারুন ও ও ৩৪ বছরের আবুল কালাম কালু।

Advertisement

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- কলারণ গ্রামের আসমত আলী শেখের ছেলে নিপুণ শেখ, আব্দুর রহমানের ছেলে মো. জামাল হোসেন ও হাজি নূর মোহাম্মদের ছেলে কবির হাওলাদার।

মামলার বিবরণ দিয়ে এপিপি জহুরুল ইসলাম জানান, কলারণ গ্রামের মামা মোদাচ্ছের হোসেনের বাড়িতে মায়ের সঙ্গে ১৩ বছরের রফিকুল ইসলাম ও তার দুই ভাই থাকতেন। ২০০৬ সালের ৮ মার্চ সকালে নিজের ভাই রিয়াদুলকে নিয়ে মামার বাড়ির খেজুর গাছের রস আনতে যান রফিকুল। এ সময় একটি গাছের রস নামিয়ে নামাজের জন্য চলে যান তিনি। বাকি রস নামিয়ে বাড়িতে চলে আসেন রিয়াদুল।

এরপর সকাল ৮টার দিকে পার্শ্ববর্তী জমাদ্দার খালে মাছ ধরতে যান রফিকুলের মামা মোদাচ্ছের হোসেনের চাচাতো ভাই ফজলুল হক। একপর্যায়ে খালের তীরের আলুক্ষেতে রফিকুলের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান তিনি। পরে তার চিৎকারে মরদেহটি উদ্ধার করেন স্বজনরা।

এ ঘটনায় ওই দিনই ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন রফিকুলের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৫ অক্টোবর পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে প্রায় ১৬ বছর পর দুজনকে যাবজ্জীবন ও তিনজনকে খালাস দেয় আদালত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!