সোমবার রাতে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মাজহারুল ইসলাম সখীপুর উপজেলার কালিয়ান দক্ষিণ পাড়া এলাকার আ. মালেক মিয়ার ছেলে এবং সরকারি সা’দত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শনিবার সাতজনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় একটি মামলা করেন।
এলাকাবাসী জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কালিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এলাকার বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের সমন্বয়ে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে আসা মেয়েদের নানাভাবে উত্যক্ত করে কালিয়ান দোহানিয়া পাড়ার কয়েকজন বখাটে ছেলে। এ সময় মাজহারুল তাদের উত্যক্ত করতে নিষেধ করলে ঘটনাস্থলেই তাকে কিল-ঘুষি দেন বখাটে ইয়ারুল ও তার সহযোগীরা।
.png)
পরে খেলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ইয়ারুল ইসলাম ও ছাব্বির আহমেদসহ ৭-৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল লোহার রড, দা, দিয়ে মাজহারুলের উপর আবার হামলা করে। পরে চিৎকার শুনে তার বাবা ও অন্যরা এসে মাজহারুলকে উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। এ সময় চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে মাজহারুলের মৃত্যু হয়।
মাজহারুলের বাবা আ. মালেক বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না। বখাটেদের হামলায় ছেলেটা অবশেষে মারাই গেল।
সখীপুর থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, আগেই হামলার ঘটনায় মাজহারুলের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।