বুধবার ভোরে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের গাংকুলা গ্রামের শাহবাড়িয়া বাড়িতে দেখা মেলে ওই তিন মেছোবাঘের। তাদের উদ্ধারে বন বিভাগের কর্মীদের খবর দিয়েছে গ্রামবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা শামছুল মাওলানার ছেলে মুনমুন ইসলাম বলেন, ভোরে সেচ পাম্পের গভীর হাউসের ভেতরে ভয়ংকর গর্জন দিয়ে ওঠে কোনো এক প্রাণী। বাঘের মতো গর্জন শুনে আতঙ্কিত হয়ে উঠি। পরে বোরিং ঘরে গিয়ে টর্চ জ্বালাতেই বাঘ ভেবে দৌড়ে পালিয়ে যাই। এরপর লোকজন এসে পর্যাপ্ত আলোয় দুটি শাবকসহ তিনটি মেছোবাঘের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত হন। তবে সকাল থেকে আশপাশের গ্রামে বাঘ দেখার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
.png)
ঝিনাইদহের বন বিভাগের কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, একটি শাবক মারা গেলেও বাকি দুটি বেঁচে আছে। তাদের উদ্ধারে কাজ চলছে। মেছোবাঘ আমাদের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য খুবই উপকারী।