ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পদ্মার পাড়ে মাছের হাট

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৪৩, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
পদ্মার পাড়ে মাছের হাট
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার পাড়ে গোকুলপুর ঘাটে প্রতিদিন মাছের হাট বসে। প্রতিদিন পদ্মা নদী থেকে মাছ ধরে এই হাটে বিক্রি করেন জেলেরা।  

জেলেরা সারারাত মাছ শিকার করে সকালে গোকুলপুর পদ্মা নদীর ঘাটে বিক্রি করতে আসেন। এই মাছ কিনতে আসেন ঈশ্বরদী, লালপুর, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যাপারীরা।

নদীবেষ্টিত রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়ন। এই ইউপিতে ১৫টি চর রয়েছে। এই চরে জনসংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। উপজেলায় ২৬ কিলোমিটার এলাকা পদ্মা নদী রয়েছে। এরমধ্যে ১৫ কিলোমিটার চকরাজাপুর ইউপির মধ্যে। জেলে রয়েছে ৩৭০ জন। ভাঙনগ্রস্ত ও সহায়সম্বলহীন জেলেরা চরে অবস্থান করে। তবে কিছু কিছু চরে স্থায়ী জনবসতি গড়ে উঠেছে। আবার কিছু কিছু চরে অস্থায়ী বসতি রয়েছে।

Advertisement

প্রতিদিন ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে পদ্মার মধ্যে মাছ শিকারির কাছে থেকে মাছ ক্রয় করে গোকুলপুর খাটে বিক্রি করেন জেলেরা।  

কালিদাসখালী চরের জেলে ওয়ালিউর রহমান বলেন, প্রতিদিন পদ্মা নদীতে মাছ শিকার করি। সকালে গোকুলপুর পদ্মা নদীর ঘাটে বিক্রি করি। এই মাছ বিক্রি করতে কোনো অসুবিধা হয় না। বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাপারীরা এসে মাছ ক্রয় করে নিয়ে যায়। মাছ ধরায় আমার মূল পেশা। এই পেশাতে আমার ৬ সদস্যের সংসার চলে।
 
চকরাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাবলু দেওয়ান বলেন, পদ্মার চরের মধ্যে ১৫টি চর নিয়ে চকরাজাপুর ইউপি গঠিত হয়েছে। পদ্মায় কেউ নৌকা আবার কেউ জাল নিয়ে মাছ ধরে জীবন যাবন করে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাহাবুল ইসলাম বলেন, পদ্মার মধ্যে চরের বেশির ভাগ বাসিন্দা ভূমিহীন অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ। তারা প্রতিনিয়ত প্রকৃতির খামখেয়ালি রূপকে বরণ করে বসবাস করে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষ শুকনো মৌসুমে কৃষি কাজ আর বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। তবে সকাল থেকে গোকুলপুর পদ্মা নদীর ঘাটে মাছের হাট বসে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!