চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ২২ বছর পর সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনার বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক, আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সুজানগর উপজেলার মৃত ডা. ছলিম উদ্দিনের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর হাসান, ভবানীপুর গ্রামের আব্দুল গণি শেখের ছেলে কালাম শেখ, ভাঁড়ারার আওরঙ্গবাদ এলাকার আকবর শেখের ছেলে নজরুল ইসলাম এবং সদর উপজেলার বাহিরচরের আবুল কাশেমের ছেলে রবিউল ইসলাম রবি। আসামিদের মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর হাসান এবং রবিউল ইসলাম রবি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন। পরে জাহাঙ্গীর ও রবিকে কারাগারে পাঠায় আদালত।
.png)
নিহত আলাউদ্দিন আলাল ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আওরঙ্গবাদ এলাকার মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। পেশায় তিনি বালু ব্যবসায়ী ছিলেন। আলালের সঙ্গে বালু ব্যবসার সূত্রেই আসামি মো. জাহাঙ্গীর হাসানের দীর্ঘ পরিচয় ছিল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে ২০০০ সালের ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালের দিকে অন্যান্য আসামিদের দিয়ে আলাউদ্দিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান জাহাঙ্গীর। পরে তাকে হত্যা করে পাশের চরতারাপুর পয়েন্টের পদ্মা নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনার ৩ দিন পর পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক বলেন, আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের শাস্তি দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, রাষ্টপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমার মক্কেলরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তার মক্কেলদের সঙ্গে কথা বলে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।