টেস্টের পূর্বেই রিপোর্টে চিকিৎসকের স্বাক্ষর করে রাখা, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার, টেস্টের ধার্য্য ফি তালিকার চেয়ে বেশি টাকা আদায়সহ অন্যান্য অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে এ জরিমানা করা হয়।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশিদ খানসহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি ও জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।
.png)
সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ জানান, ভোক্তাদের থেকে লিভারের টেস্ট এসজিপিটি, পিএনএস ও নেক এক্সরেসহ বিভিন্ন সেবার মূল্য প্রদর্শিত ধার্য্যমূল্য থেকে অনেক বেশি নেয়া, প্যাথলজিতে বিভিন্ন টেস্টে ব্যবহৃত রিএজেন্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা এবং প্যাথলজিস্ট ডাক্তারের পূর্বে স্বাক্ষর করা প্রায় ২৮২টি রিপোর্ট প্যাড জব্দসহ প্রতিশ্রুত সেবা যথাযথভাবে সরবরাহ না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা আরোপপূর্বক আদায় করা হয়।
তিনি বলেন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মহোদয়ের অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং জেলা প্রশাসক ফরিদপুর মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জনস্বার্থে অভিযান অব্যহত থাকবে।