বুধবার সকালে সুমন মিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শাহজাদপুর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গোলাম রব্বানী এ আদেশ দেন। পরে ওই দিন বিকেলে আদালতের মাধ্যমে সুমনকে সিরাজগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ সময় শাহজাদপুর হাজতখানা থেকে বের হওয়ার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুমন মিয়া গামছা মুড়িয়ে বের হন।
.png)
বিষয়টি নিয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর এসআই আসলাম জানান, ভেতরে কে বা কারা গামছা সাপ্লাই করেছে আমার জানা নেই।
আকাশী খাতুনের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার মোল্লা বলেন, সুমন প্রথম স্ত্রী আকাশির অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করায় আকাশি খাতুন বাদী হয়ে ২০১৪ সালে সুমনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর শাহজাদপুর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম রব্বানী ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ মাস কারাদণ্ডের রায় দেন। রায়ের পর থেকেই সুমন মিয়া পলাতক ছিলেন।
আকাশি খাতুন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, সুমনের সঙ্গে দেড় যুগ আগে বিয়ে হয় । বিয়ের কিছুদিন পরেই গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায় সুমন। পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে বিভিন্ন সময় সমাধানের চেষ্টা করলেও কোন ফল আসেনি। বরং শেষ অবধি আমাক স্ত্রী হিসেবেই অস্বীকার করে সুমন। বাধ্য হয়েই ২০১৪ সালে আদালতে মামলা দায়ের করি। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২০২১ সালে বিজ্ঞ আদালত রায় প্রকাশ করেন। রায়ের পর থেকেই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে আত্মগোপনে ছিল সুমন মিয়া।