গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. মহসিন টিটু, জোবেদা, নারগিছ আক্তার, ইসমত আরা ও জহির।
বুধবার দুপুরে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের সোপর্দ করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
.png)
পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার ১ নভেম্বর বিকেল ৩টার দিকে ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক বেচু মাইজদীর শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে দত্ত বাড়ির মোড়ের একটি চায়ের দোকানে চা খেতে বসেন। ওই সময় বেচুর পূর্ব পরিচিত মো. মহসিন টিটু (৪৫) তাকে তার বাড়তে চা খাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। বেচু সরল বিশ্বাসে টিটুর সঙ্গে তার বাড়িতে যান। ওই সময় বেচু একটি রুমের ভেতরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে টিটু বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। সঙ্গে এক অজ্ঞাত নারী ও ৫-৬ জন ব্যক্তিসহ ঘরে প্রবেশ করে বেচুকে উলঙ্গ করে ফেলেন। এ সময় অজ্ঞাত নারী নিজেও উলঙ্গ হয়। একপর্যায়ে অজ্ঞাত নারী আব্দুল খালেক বেচুর সঙ্গে জোরপূর্বক আপত্তিকর কাজে লিপ্ত হন এবং অপরাপর সবাই উক্ত আপত্তিকর কাজের ছবি-ভিডিও মোবাইলে ধারণ করেন। পরবর্তীতে আসামিরা ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন ও তার মোটরসাইকেল রেখে দেন।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে ব্ল্যাকমেইল চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।