মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর শিশু আদালত-২ এর বিচারক হাসানুজ্জামান এই আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৫ জন ছেলে ও একজন ১ জন মেয়ে শিশু রয়েছে।
রাজশাহীর শিশু আদালত-২ এর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নাসরীন আখতার মিতা ডেইলি বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি বলেন, মাদক বহন, ধর্ষণচেষ্টাসহ বিভিন্ন লঘুদণ্ডের মামলা ছিল ওই ২৬ শিশু-কিশোর-কিশোরীর ওপর। তাদের সবার জীবনে এটিই প্রথম মামলা। আর কোনো দিন অপরাধে জড়াবে না শপথ পাঠসহ, ভালো কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদলত। রায় কার্যকরের এই বিষয়টি সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসারকে মনিটরিং করতেও বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিকল্প পন্থায় তাদের সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন আদালত। বাংলাদেশে প্রথম এক সঙ্গে এত বেশি শিশুকে এই রকমের দণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের মানসিক পরিবর্তনের কারণেই এমন রায় দিয়েছেন আদালত বলে জানান জানান পিপি নাসরিন আখতার।
রাজশাহী সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসার মতিনুর রহমানের অভিমত, আদালতে এটি একটি ভালো আদেশ দিয়েছেন। আদালত আমাদের ঐ শিশুদের অপরাধের ধরন দেখে ভালো কাজ কী কী করবে সেটি ঠিক করতে বলেছেন। এছাড়াও তাদেরকে মাদকে না জড়ানো, বাল্য বিয়ে না করা, মা-বাবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার, মারামারিতে জড়ানো এই সব ধরনের কাজ থেকে রিবত রাখতে বলেছেন আদালত।
এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী রায়। এর আগে কখনও এমন রায় হয়নি, আমিও দেখিনি। রাজশাহীতে প্রথম এই ধরনের রায়ের ব্যবহার হলো। আদালতের নির্দেশনা অনুসারে এখন থেকে তাদের পর্যবেক্ষণ করাসহ বেশি বেশি করে আরও ভালো কাজ করার স্পৃহা যোগাতে হবে বলে জানান সমাজসেবা প্রবেশনারি অফিসার মতিনুর রহমান।