রোববার দুপুর ২টার দিকে মামলার শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা দেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, যশোরের শর্শা থানার গোগা বাগানপাড়ার আবদুর রশিদের ছেলে মো. মিন্টু আলী, কালিয়ানীর মৃত মশিউর রহমানের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন, মৃত গোলাম হোসেনের ছেলে মো. আবদুল হামিদ, মনিরামপুর মাথরাপুরের বরকত উল্লাহ সরদারের ছেলে মো. বিল্লাহ হোসেন ও টেকনাফের রঙ্গিখালী নুর আহমদ প্রকাশ আঁই মেম্বারের ছেলে মো. হেলাল।
.png)
রায়ে ট্রাক হেলপার মো. মিন্টু আলীকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে আদালত। এ সময় আসামিদের মধ্যে ট্রাকচালক মো. আবদুল হামিদ, হেলপার মো. মিন্টু আলী ও মো. দোলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পলাতক মো. বিল্লাহ হোসেন ও মো. হেলালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ সাজা পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই উখিয়ার বালুখালী কাস্টমস চেকপোস্টে ট্রাক তল্লাশি করে ২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত ট্রাক জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় উখিয়া থানায় মামলা হয়।
২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ কায় কিসলু। আসামি মিন্টু আলী ও মো. দেলোয়ার হোসেনের উপস্থিতিতে ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। চার্জশিটে উল্লেখিত ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইব্রাহিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম।