বুধবার দুপুরে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ এ রায় দেন। এ সময় তিনজনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বদলগাছী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা কামরুজ্জামান, তার ভাই ওয়াহেদ আলী, সামসুজ্জামান, রকেট ও ডাবলু, একই গ্রামের আব্দুল হামিদ ও তার ভাই এনামুল হক, মোশাররফ হোসেন, বজলুর রহমান ও এমদাদুল হক।
.png)
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- দণ্ডপ্রাপ্ত বজলুর রহমানের স্ত্রী করিমা বেগম, এনামুলের স্ত্রী জলি আক্তার ও দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা হবিবরের ছেলে জীবন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের একটি গভীর নলকূপের মালিকানা দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ৯ মে দুর্গাপুর গ্রামের কামরুজ্জামান ও তার চার সহোদরের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী উজ্জ্বল হোসেনসহ চারজনকে পিটিয়ে আহত করেন। ঘটনার চারদিন পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান উজ্জ্বল।
১০ মে এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন দুর্গাপুর গ্রামের গভীর নলকূপ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর বদলগাছী থানার উপপরিদর্শক লেলিন আলমগীর ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকসহ ১৮জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার দুপুরে এ রায় দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি আব্দুল বারী ও আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মামুনুর রশিদ।