বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে, বুধবার দিবাগত রাতে বগুড়া সদর ও সোনাতলা উপজেলা থেকে তাদের আটক করা হয়।
ছুরিকাহত মো. মেহেরাজ হোসেন ফাহিম বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক। তিনি শজিমেকের এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।
.png)
২৬ বছরের ফাহিম বুধবার সন্ধ্যায় শজিমেক হাসপাতালের সামনে লিংক রোডে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। বাকবিতণ্ডার জেরে এক ভাজাপোড়া খাবার বিক্রেতা তাকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনার পরপরই ফরিদ বেপারীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ঐ রাতেই বিক্ষোভ করেন শজিমেকের শিক্ষার্থী ও হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
আটকরা হলেন- বগুড়া সদরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকার ৫৫ বছরের ফরিদ বেপারী ও তার ছেলে একই এলাকার ২৫ বছরের শাকিল বেপারী। ঘটনার পরপরই ফরিদকে সদর উপজেলা থেকে আটক করা হয়। আর শাকিলকে সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট এলাকা থেকে আটক করা হয়। এছাড়াও তাদের হেফাজতে থাকা ধারালো চাকুও উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ফরিদ বেপারীর ছেলে শাকিল ইন্টার্ন চিকিৎসককে ছুরিকাঘাত করেন।
জানা গেছে, শজিমেক হাসপাতালের সামনে ভাজাপোড়া খাবার বিক্রি করেন ফরিদ ও তার ছেলে শাকিল। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের কাছ থেকে ভাজাপোড়া কিনে খাচ্ছিলেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ফাহিম। এ সময় ফাহিম ওই বাবা-ছেলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে শাকিল পেঁয়াজ কাটা ছুরি দিয়ে ফাহিমকে আঘাত করেন। পরে ফাহিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন সেখানে থাকা লোকজন। এ ঘটনার পরপরই বিক্ষোভ করেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা হাসপাতালের সামনে ফুটপাত থেকে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের দাবি জানান।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শরাফত ইসলাম বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ঐ রাতেই অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।