গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা নেতা মুহিব উল্লাহকে কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্পে হত্যা করা হয়েছিল আদর্শগত পার্থক্য এবং আরসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে। এরপর ক্যাম্প-১৮ এর দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা আল-ইসলামিয়া মাদরাসায় অপরাধীরা রক্তপাত শুরু করে। আরসার বিরোধিতা করায় মাদরাসার প্রধান মাওলানা আকিজসহ ছয় রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৫ মার্চ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরসার উলামা শাখার ‘প্রধান কমান্ডার’ জাকারিয়াকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, জাকারিয়া মুহিব উল্লাহকে হত্যার জন্য ‘ফতোয়া’ জারি করেছিলেন।
এদিকে আরসার পাশাপাশি আরো অন্তত অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কয়েক হাজার সদস্য ক্যাম্পের ভেতরে-বাইরে সশস্ত্র অবস্থায় উখিয়া টেকনাফের গহীন অরণ্যে অবস্থান করছে। সুযোগ বুঝে চালাচ্ছে আক্রমণ। এমনকি তারা স্থানীয়দেরও টার্গেট করে ডাকাতি, অপহরণ এবং হত্যাসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের দমন করতে পুলিশ, এপিবিএন ও র্যাব মিলে চালাচ্ছে অপারেশন রুট আউট।
.png)
১৪-এপিবিএন এর অধিনায়ক সৈয়দ হারুনুর রশীদ জানান, এ অপারেশনে ভালো ফলাফল এসেছে। এরই মধ্যে তিন শতাধিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।