দণ্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বড়দহ গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি মেহেদী হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধার নারী শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
.png)
জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল পলাশবাড়ি উপজেলার খামার জামিরা গ্রামে তার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে ওই এলাকার বখাটে মেহেদী হাসান ও তার সহযোগীরা মোটরসাইকেলে এসে ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে অজ্ঞাত স্থানে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালায়। এ ব্যাপারে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল পলাশবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে মেহেদী হাসান পালিয়ে যায়।
পিপি একে এম মহিবুল ইসলাম মোহন জানান, সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ধর্ষণের অপরাধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৩২ বছর এবং অপহরণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১৪ বছরসহ মোট ৪৬ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।