নিহত স্বাগতম বৈরাগী ওই গ্রামের খোকন বৈরাগীর ছোট ছেলে। তিনি পেশায় পারিবারিকভাবে হিন্দু ধর্মীয় গানের শিল্পী (কীর্তন শিল্পী) ছিলেন।
জানা যায়, শুক্রবার রাতে ব্রাজিলের খেলা দেখার উদ্দেশে বন্ধুরা মিলে পিকনিকের আয়োজন করে। সেখানে তারা দুজনই উপস্থিত ছিলেন। রাত ১০টার পর খাওয়া শেষ করে ব্রাজিলের খেলা শুরুর আগে সময় কাটানোর জন্য তাস খেলতে শুরু করেন তারা। তাস খেলা নিয়ে স্বাগতম ও তার বন্ধু পিন্টুর মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এই ঘটনার পর পিন্টু তার বাড়িতে চলে যান। পরে অন্য বন্ধুরা বিষয়টি মিমাংসার জন্য পিন্টুকে আবার ডেকে আনেন। পরে তারা গ্রামের গোবিন্দর মুদি দোকানের দক্ষিণ পাশে সবাই একত্রিত হন। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পিন্টু পেছন থেকে চাকু দিয়ে স্বাগতমের শরীরে ও ঘাড়ে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা ও অন্য বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
.png)
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শরীফ সোহেল বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় হাসাপাতালে পৌঁছানোর আগেই স্বাগতমের মৃত্যু হয়েছে।
নড়াইল সদর থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন হত্যাকাণ্ড খুবই দুঃখজনক। প্রাথমিকভাবে স্বাগতম বৈরাগীর শরীরে ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন দৃশ্যমান। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ আছে কিনা। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।