মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম।
এর আগে সোমবার রাত ১১টার দিকে ওই ইউপির জামিদিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শিশু মারুফ একই এলাকার মাহমুদুল হাসানের ছেলে।
.png)
স্থানীয়রা জানায়, প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আরেকটি বিয়ে করেন মাহমুদুল। এ কারণে মারুফ মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত ছিল। অন্যদিকে সৎ মা তাকে ঠিকমতো আদর করতেন না। সোমবার রাত ১০টার দিকে শিশু মারুফ ঘর থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। পরে পরিবার ও প্রতিবেশীরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে৷ একপর্যায়ে বাড়ির লোকজনের গোসলের পানি যাওয়ার ছোট গর্তে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে শিশু মারুফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শিশু মারুফের গলায় ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সৎ মা তাকে হত্যা করে পানির গর্তে ফেলে দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতেই সৎ মাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।