মঙ্গলবার দুপুরে তাদের ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা থেকে গ্রেফতার করে মণিরামপুর থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কাভার্ডভ্যান চালক আলমগীর হোসেন নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের শামসুল হকের ছেলে এবং হেলপার আনোয়ার হোসেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সন্ধ্যাকুরা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
.png)
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের ভাই ইব্রাহিম খলিল মণিরামপুর থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে চালক আলমগীর হোসেন এবং হেলপার আনোয়ার হোসেনের অবস্থান শনাক্ত করে। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে নান্দাইল উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে তাদের থানায় আনা হয়। তাদের থানায় রেখে জিজ্ঞাবাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ডভ্যানটি মহাসড়কের পাশ দিয়ে হোটেলের মধ্যে ঢুকে যায়।
মণিরামপুর থানার ওসি শেখ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বুধবার সকালে তাদের আদালতে নেয়া হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে।
জানা যায়, গত শুক্রবার যশোর থেকে সাতক্ষীরাগামী একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেগারীতলা বাজারে মহাসড়কের পাশে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় চায়ের দোকানের বসে থাকা টুনিয়াঘরা গ্রামের শামসুর রহমান মীর, তার নাতি তৌহিদুল ইসলাম ও জয়পুর গ্রামের জিয়ারুল ইসলামকে কাভার্ডভ্যানটি চাপা দেয়। এতে টুনিয়াঘরা গ্রামের হাবিবুর রহমান ও তার ছয় বছরের ছেলে তাওহিদ হাবিব কাভার্ডভ্যান চাপায় মারা যান।