জেলার আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠা-নামা করছে। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় কুয়াশায় ঢেকে থাকে রাস্তাঘাট, ফসলি জমিসহ চারপাশ।
মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকার এক কৃষক জানান, ৭ থেকে ৮ দিন ধরে শীত বেশি। তারমধ্যেও ভোরে কাজে নামতে হয়। কৃষিকাজ করে পরিবার চালাই। কাজ না করলে সংসার চলে না।
.png)
ঝাউদি ইউনিয়নের কুলপদ্বী এলাকার এক গৃহিনী জানান, বাতাসের বেগ বেশি হওয়ায় মাটির চুলায় রান্না করা মুশকিল হয়ে যায়। বারবার চুলার আগুন নিভে যাচ্ছে। তবুও পরিবারের সবার জন্য খাবার তৈরি করছি।
সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শাওলীন আফরোজা বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে প্রচুর ঠান্ডা পড়েছে। শিশু-বৃদ্ধদের রোগ-বালাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে পরিবারের লোকজনকে বেশি সতর্ক থাকতে থাকতে হবে। গরম পোশাক পড়ার পাশাপাশি গরম পানি ও গরম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈনউদ্দিন বলেন, শীতার্ত মানুষের জন্য সরকার বেশকিছু কম্বল বরাদ্দ দিয়েছে। যার কার্যক্রম এরইমধ্যে শুরু হয়েছে। তালিকা করে অসহায় মানুষকে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।