জানা যায়, সৈয়দ আলী কাজীর দ্বিতীয় পক্ষের ছেলে হাশেম কাজী। সৎ ভাইদের সঙ্গে জমির ভাগ নিতে নিজ মায়ের নামের স্থলে সৎ মায়ের নাম ব্যবহার করেছেন তিনি। হাশেম কাজীর জাতীয় পরিচয়পত্রে তার মা মৃত মেহেরজান বিবির নামের স্থলে সৎ মা ছটু বিবির নাম দেওয়া হয়েছে। নাম ব্যবহার নিয়ে কোনো বিতর্ক না হলেও এখন সৎ মায়ের সম্পত্তিতে ভাগ বসানোয় তৈরি হয়েছে বাকবিতণ্ডা। তিনি ছটু বিবির পৈতৃক সম্পত্তি ও রেকর্ডীয় সম্পত্তির ভাগ নিতে এমনটা করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় শাহ আলম মিয়া বলেন, ভোটার আইডি কার্ডে নাম পরিবর্তনের কারণে এলাকায় ঝামেলা লেগেই থাকে। জমি যারা কিনেছে তারাও সমস্যায় আছে। প্রায়ই ঝামেলা মারামারির পর্যায়ে চলে যায়। সালিশ মিমাংসা করতে গিয়েও সবাই ফিরে আসে। এ সমস্যার সমাধান প্রশাসন ছাড়া কেউ করতে পারবে না।
.png)
স্থানীয় ইউপি সদস্য দবির মালত বলেন, হাশেম কাজীর মায়ের নাম মেহেরজান বিবি। তার সৎ মায়ের নাম ছটু বিবি। মেহেরজান বিবির পরের ঘরের সন্তানরা কিন্তু ঠিকই মায়ের নাম মেহেরজান বিবি লিখেছেন। হাশেম কাজী কেনো সৎ মায়ের নাম লিখল তা জানি না। তবে এটি সংশোধন করা জরুরি।
ভুক্তভোগী আমিনুল হক জানান, তিনি হাশেম কাজীর ভাইদের কাছ থেকে ১১ শতাংশ জমি কিনেছেন অনেক আগে। রেকর্ড ও দলিল অনুযায়ী জমিতে কোনো সমস্যা নেই। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের একটি নামের কারণে প্রায়ই হাশেম কাজী জমি ফেরত নিতে ঝামেলা করছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সমাধান চাই।
এ বিষয়টি জানতে হাশেম কাজীকে বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার বড় ছেলে ফকির চান বলেন, দাদির নাম নিয়ে সমস্যা হলে জাতীয় পরিচয়পত্রে সেটা সমাধান করা যাবে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইনদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি।